বাংলা ব্লগ গুলোতে অনেক দিন ধরেই লিখি। আজ তোমাদের এখানে একটি লিখা পোস্ট করছি। জানি অনেক গালি দিবে তোমরা। তারপর ও লিখছি। রাতের আধার। তারেক একা একা জঙ্গলের পাশ দিয়ে বাড়িতে যাচ্ছে। কিছুদুর এগোতেই একটা ঝোপের আড়ালে তারেক শুনতে পায় একটা গোঙানির শব্দ আর সাথে ধস্তাধস্তির আওয়াজ। এরকম শব্দ শোনার সাথে সাথেই সর্বাঙ্গীন ভাবে সতর্ক হয়ে যায় তারেক। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে ঝোপটার দিকে। হাটু গেড়ে আস্তে আস্তে বসে পড়ে নড়ে ওঠা ঝোপের আরেক পাশে। ওপাশে ক্রমে ক্রমে শব্দ বাড়ে, বাড়ে চাপা গোঙ্গানির শব্দ। হঠ্যাৎই তারেক উপলব্ধি করতে পারে অন্য সব শব্দ ছাপিয়ে উঠা শীৎকারের আওয়াজ যা তার কানে এসে বেধে ঠান্ডা শরীরে বরফের ছোয়ার অনুভূতি নিয়ে। তারেকের শরীরের রোমকুপগুলোও কামার্ত কুকুরের পশমের মতো আস্তে আস্তে একদিক থেকে দাড়িযে যেতে থাকে। তারেক স্পষ্টতই বুঝতে পারে ওপাশে একতাল মাংসপিন্ডের উপর চলছে পৃথিবীর আদিমতম বর্বরতা। মুর্হুতেই তারেক ভাবে, হেকে উঠি, শেষ করে দেই বর্বরটাকে। কিন্তু আবার ভাবে, কি হচ্ছে দেখি না। এরকম ভাবতে ভাবতে একসময় ঝোপের আওয়াজ থেমে যায়, শুধু থেকে যায় একতাল মাংসপিন্ডের গোঙ্গানি। এবার তারেক সাহস করে এগিয়ে যায় ঘটনার দিকে নতুনত্বের সন্ধানে। গিয়ে দেখে এক তরুনী পৃথিবীর আদিমতম বর্বরতার সকল চিহ্ন নিয়ে একতাল মাংসপিন্ডের ন্যায় জ্ঞানহীন পড়ে আছে। তারেক ভাবে, একে হাসপাতালে নেয়া দরকার। এই ভাবতে ভাবতে তারেক হাটুগেড়ে সেই তরুনীর মুখের কাছে নিজের মুখটাকে দাড় করায়। আধো চাদের আলোয় তারেকের মুখটাকে তখন মনে হচ্ছিল কোন এক তেলচকচকে লালায়িত হায়েনা তার শিকারকে চেখে দেখার আগে ভালো করে দেখে নিচ্ছে। এরপর তারেক চিন্তা করে, আশে পাশে কেইবা আর আছে। একটু না হয় ছোয়াই যাক। এরপর তারেকও সেই একই ভাবে একতাল মাংসপিন্ডের মাঝে উপগত হয়। জন্ম দেয় ঝোপের আড়ালের আরেক তারেককে।
Friday, August 24, 2012
রাতের আধারের তারেক
বাংলা ব্লগ গুলোতে অনেক দিন ধরেই লিখি। আজ তোমাদের এখানে একটি লিখা পোস্ট করছি। জানি অনেক গালি দিবে তোমরা। তারপর ও লিখছি। রাতের আধার। তারেক একা একা জঙ্গলের পাশ দিয়ে বাড়িতে যাচ্ছে। কিছুদুর এগোতেই একটা ঝোপের আড়ালে তারেক শুনতে পায় একটা গোঙানির শব্দ আর সাথে ধস্তাধস্তির আওয়াজ। এরকম শব্দ শোনার সাথে সাথেই সর্বাঙ্গীন ভাবে সতর্ক হয়ে যায় তারেক। ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে ঝোপটার দিকে। হাটু গেড়ে আস্তে আস্তে বসে পড়ে নড়ে ওঠা ঝোপের আরেক পাশে। ওপাশে ক্রমে ক্রমে শব্দ বাড়ে, বাড়ে চাপা গোঙ্গানির শব্দ। হঠ্যাৎই তারেক উপলব্ধি করতে পারে অন্য সব শব্দ ছাপিয়ে উঠা শীৎকারের আওয়াজ যা তার কানে এসে বেধে ঠান্ডা শরীরে বরফের ছোয়ার অনুভূতি নিয়ে। তারেকের শরীরের রোমকুপগুলোও কামার্ত কুকুরের পশমের মতো আস্তে আস্তে একদিক থেকে দাড়িযে যেতে থাকে। তারেক স্পষ্টতই বুঝতে পারে ওপাশে একতাল মাংসপিন্ডের উপর চলছে পৃথিবীর আদিমতম বর্বরতা। মুর্হুতেই তারেক ভাবে, হেকে উঠি, শেষ করে দেই বর্বরটাকে। কিন্তু আবার ভাবে, কি হচ্ছে দেখি না। এরকম ভাবতে ভাবতে একসময় ঝোপের আওয়াজ থেমে যায়, শুধু থেকে যায় একতাল মাংসপিন্ডের গোঙ্গানি। এবার তারেক সাহস করে এগিয়ে যায় ঘটনার দিকে নতুনত্বের সন্ধানে। গিয়ে দেখে এক তরুনী পৃথিবীর আদিমতম বর্বরতার সকল চিহ্ন নিয়ে একতাল মাংসপিন্ডের ন্যায় জ্ঞানহীন পড়ে আছে। তারেক ভাবে, একে হাসপাতালে নেয়া দরকার। এই ভাবতে ভাবতে তারেক হাটুগেড়ে সেই তরুনীর মুখের কাছে নিজের মুখটাকে দাড় করায়। আধো চাদের আলোয় তারেকের মুখটাকে তখন মনে হচ্ছিল কোন এক তেলচকচকে লালায়িত হায়েনা তার শিকারকে চেখে দেখার আগে ভালো করে দেখে নিচ্ছে। এরপর তারেক চিন্তা করে, আশে পাশে কেইবা আর আছে। একটু না হয় ছোয়াই যাক। এরপর তারেকও সেই একই ভাবে একতাল মাংসপিন্ডের মাঝে উপগত হয়। জন্ম দেয় ঝোপের আড়ালের আরেক তারেককে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment